এ সময় বক্তারা বলেন, আগে আমাদের মার্কেটে নামাজ পড়ার স্হান ছিল না।রেললাইনের পাশে আমাদের কে নামাজ আদায় করতে হতো। এ কমিটির মাধ্যমে হকার্স মার্কেটে পূর্বাংশে নামাজের স্হান তৈরি করা হয়েছে। মার্কেটের সুন্দর্য্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে মার্কেটের দোকানিদের মালামাল বৃষ্টিতে ভিজে যেত। ক্রেতারা ভিজে যেত। এখন আর দোকানিদের মালামাল নষ্ট হয়না, ক্রেতা সাধারন বৃষ্টিতে ভিজতে হয় না । মার্কেট অনেক সূন্দর হয়েছে। এ সুন্দর্য্যের করণে এখন দোকানের ভেলু বৃদ্ধি পেয়েছে। এক সময় অর্থাৎ ২০১৩/১৪ সালে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের দৌরাত্ব ছিল এ মার্কেটে।তারা দোকান থেকে মালামাল নিয়ে যেত। ব্যবসায়ীরা হয়রানির স্বিকার হতো। সমিতির বর্তমান কমিটি দায়িত্ব নেয়ার পর রেলওয়ে হকার্স মার্কেটের ব্যবসায়ীরা সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত হয়েছে। এই ঐক্যের ধারা আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে।আমাদের মার্কেটের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার নষ্ট হয়ে গেছে আমরা চেষ্টা করেছি যত দ্রুত বিদ্যুতের ব্যবস্হা করতে। আমরা এমন একটা ট্রান্সফর্মার পেয়েছি তা ২/৪ দিনের মধ্যে তা স্হাপন করা হবে।আমরা সরকারের বিধি বিধান, নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। তা মেনে ব্যবসা করবেন। আমরা ওয়ার্চ টাওয়ার করবো, মার্কেটে চুরি রোধে এ কাজ করা হবে।
বক্তব্য রাখেন সমবায় অফিসের মাঠ কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন, ব্যবসায়ী শাহ জালাল, হেদায়েত উল্যাহ, আল নোমানসহ আরো অনেকে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সদস্যরা সর্বসম্মতি ক্রমে সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন আনু ও সাধারন সম্পাদক হাফেজ জাকির হোসেন মৃধাকে নির্বাচিত করা হয়।
সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন আনু, সিনিয়র সহ সভাপতি মহসীন , সহ সভাপতি মজিবুর রহমান আখন্দ,সাধারন সম্পাদক হাফেজ জাকির হোসেন মৃধা, সহ সাধরন সম্পাদক আল আমিন, খোকন গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, অর্থ সম্পাদক মজিবুর রহমান , দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ক্রিয়া ও সমাজ কল্যান সম্পাদক আলী হোসেন, প্রচার সম্পাদক রাসেল পাটোয়ারী,সদস্য আমিনুল ইসলাম, হানিফ মাল, দোলোয়ার হোসেন ঢালি, মাহবুব আলম খোকা, ইসমাইল হোসেনকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।