নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
হাজীগঞ্জে ডাকাতিয়া নদী দখল করে বিএনপির নেতার রাজকীয় পুকুর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। ভূমি খেকো বিএনপি নেতা হাসান মিয়াজীর খপ্পরে সাধারণ মানুষের পর এবার ডাকাতিয়া নদী।
আদম ব্যবসার অঢেল টাকার দাপটে ডাকাতিয়া নদীও রক্ষা পায়নি। সুকৌশলে ডাকাতিয়া নদী দখল করে নিলেও নদী রক্ষায় এগিয়ে আসেনি কেউ।
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড এন্নাতলী গ্রামের উত্তর পূর্ব কর্ণারে ডাকাতিয়া নদীর বাঁকে সুকৌশলে মাটি ফেলে ভরাট করে তা দখলে নিয়েছে ওই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাসান মিয়াজী।
নদীর পাশে হাসান মিয়াজী আলিশান বাড়ি নির্মাণ করেন। ঢাকা থেকে মাঝে মধ্যে এসে রাত্রি বিলাস করেন। এ বাড়ির দক্ষিণ পাশে ডাকাতিয়া নদীর বাঁক দখল করে মাটি ফেলে নদীর জায়গা দখল করে নিচ্ছেন।
বিএনপির এ নেতা এতোটাই প্রভাবশালী যার ভয়ে কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি। নদী দখল করে যেখানে রাজকীয় পুকুর নির্মাণ কাজ করছেন নদীর পাশের সেই ভূমি জোরপূর্বক দখল করা বলে জানা যায়।
হাজীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসের দক্ষিণ পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরে¯্রাতা ডাকাতিয়া নদীর বাঁকে মাটি ফেলে ঝোঁপ—ঝাপড়া রোপন করে হাসান মিয়াজীর লোকজন। এ কাজের দেখাশুনা করে তারই ভাতিজা রাজ্জাক।
প্রতিনিয়ত যেভাবে মাটি ফেলে ডাকাতিয়া নদী দখলের মহৌৎসবে মেতে উঠেছেন বিএনপির এই নেতা এতে নাব্যতা হারাতে বসেছে খরস্রোতা নদী।
ডাকাতিয়া নদী দখল মুক্ত করতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
ডাকাতিয়া নদী দখলের বিষয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামকে অবগত করা হয়। নদী দখল করা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।