শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ডিসেম্বর মাসে নৈরাজ্য করতে ষড়যন্ত্রকারীরা মাঠে নামলে উচিৎ শিক্ষা দিবে বাংলার জনগণ  —– মাহবুবউল আলম হানিফ 

reporter / ২৫০ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২২

আনোয়ার হোসেন মানিকঃ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, স্বাধীনতার বিরোধী বিএনপি জামায়াত বিজয়ের মাসে ঢাকায় যে সমাবেশ ঢেকেছে তা কোন ভাবে সফল হবে না। এই বাংলার মানুষ তাদের বিরুদ্ধে রূখে দাড়াবে। বিএনপি আজকে মানুষের পায়ে পারা দিয়ে গোলযোগ সৃষ্টি করতে চায়। তারা সমাবেশের নামে বিভিন্ন জায়গায় উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের ভাবখানা এমন যেন ১০ তারিখের পর সরকাই থাকবে না। তারা তো বলেই দিয়েছে- ১০ ডিসেম্বরের পর নাকি দুর্নীতিবাজ খালেদা জিয়ার কথা দেশ চলবে। আমরা বলতে চাই- ডিসেম্বর মাস আমাদের বিজয়ের মাস। ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির মাস। এ মাস কোন রাজাকার-আলবদরদের হতে পারে না।
ডিসেম্বর মাসে ষড়যন্ত্র করতে যদি মাঠে নামেন তাহলে উচিৎ শিক্ষা এ বাংলার জনগণ দিয়ে দিবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ঢাকায় নাকি ১০ লাখ লোকের সমাবেশ করবে। তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। তারা সমাবেশ পল্টনে করতে চায়। কিন্তু তাদের জনসমাবেশের সংখ্যা দেখে পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সমাবেশের জন্য ভালো হবে। তারা সেখানে সমাবেশ করবেন না। পল্টনে তো ৫০/৬০ হাজারের বেশি লোকের জায়গা হবে না। তারপরও কেন তারা সেখানে করতে চায়। কারণ দুইটি, এক হলো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত জায়গা। এখানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। আর এখানেই ৭১ সালে পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পণ করেছিল। সেই কারণেই তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যেতে চায় না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রাজাকার-আলবদরদের জন্য একটি মনোকষ্টের জায়গা।
তারা ভাবছে নয়াপল্টনে তাদের অফিসের সামনে লোকজন জমায়েত করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে সরকারকে বিব্রত করতে চায়- এটি তাদের আরেকটি লক্ষ্য। বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে কোন ষড়যন্ত্রের পথ খুজলে তার উচিৎ জবাব দেয়া হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে যদি দুর্বল ভাবেন তাহলে ভুল করবেন। ২০১৩, ২০১৪ সালে জ্বালাও-পোড়াও করে মানুষ হত্যা করেছেন। সেই অপকর্মের জন্য যে শাক্তি ভোগ করতে হয়েছে আগামীতে এমন অপরাধের জন্য তার চেয়ে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি আপনাদের হতে হবে। রেহাই পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।
তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনার উন্নয়নকে বাঁধা সৃষ্টি করতে বিএনপির যত মাথা ব্যথা। বাংলার জনগণ দেখেছে বঙ্গবন্ধুর পর তার সুযোগ্য কণ্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, পায়রা বিমানবন্দরসহ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। দেশে শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ, স্কুল, কলেজ, ব্রীজ, কালভাট, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন দেখে বিএনপি বিকল্প চিন্তায় হাটছেন। তাদের হুংকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ভয় পায়না। তাই আগামিতেও তাদের আন্দোলন সংগ্রাম কোন ভাবে সফল করতে পারবে না।
২৬ নভেম্বর শনিবার দুপুরে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরিক্ত কথাগুলো বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, জাতীয় সংসদের হুইপ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সাবেক সংসদ সদস্য এড. নুরজাহান বেগম মুক্তা, পাওয়ার সেলের ডিজি ইঞ্জি. হোসাইন, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক গাজী মো. মাইনুদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
সম্মেলন শেষে কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের  পুনরায় সভাপতি হাজী হেলাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ মাঈনুউদ্দিন কে ঘোষণা করা হয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর