শিরোনাম:
মতলবে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পুলিশ হেফাজতে মতলবে অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ নারী উদ্যোক্তা সম্মেলনে সম্মাননা পেলেন ৭৫ নারী প্রথমবার এইচএসসিতে অংশ নিয়েই উপজেলায় শীর্ষে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল মতলব দক্ষিণে এইচএসসিতে পাশের হার ৩৫.২৪, আলিমে ৩১.৬১,শতভাগ ফেল শামসুল হক কলেজ মতলবে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন ফলাফলে চরম বিপর্যয়, মতলব উত্তরে এইচএসসিতে পাসের হার ৩১.৯১%, আলিমে ২৮.৯৭% মতলবে মিছিল থেকে নিয়ে যুবদল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন উত্তর নাউরী সমাজ কল্যাণ ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ফুটবল টূর্ণামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অবশেষে দেশে আসলো সৌদি আরবে খুন হওয়া মতলবের জসিমের মরদেহ : দাফন সম্পন্ন

মতলবে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পুলিশ হেফাজতে

reporter / ১৪ ভিউ
আপডেট : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

মতলব উত্তর প্রতিনিধি:

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দেলোয়ার শিকদার ওরফে দেলু শিকদারকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। শিশুটির চিকিৎসা ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গত ২৬ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের সরদার কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ শিশুটির পরিবারের। এদিকে, অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হলে রবিবার (২ নভেম্বর) রাতে এলাকায় ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে খবর পেয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মানস বড়ুয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার সময় আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যায়।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, ঘটনার দিন সকালে তার বাবা আলমাছ শিশুটিকে নিয়ে অভিযুক্ত দেলু শিকদারের বাড়িতে যান। সেখানে অভিযুক্তের মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখছিল শিশুটি। একপর্যায়ে শিশুটিকে সেখানে রেখে আলমাছ চলে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটির ওপর যৌন নির্যাতন চালান। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শিশুটির মা জানান, মেয়েকে দীর্ঘ সময় দেখতে না পেয়ে তিনি দেলু শিকদারের বাড়িতে গিয়ে তাকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান। পরে শিশুটি মায়ের কাছে ঘটনার কথা জানায়। শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও কান্নাকাটির কারণে চিকিৎসার জন্য অভিযুক্তের পরিবারের কাছে গেলে তারা বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো হুমকি দেন বলে অভিযোগ তার। পরে চিকিৎসার জন্য ৫ হাজার টাকা দেওয়া হলেও তা পর্যাপ্ত ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মানস বড়ুয়া বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসা, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।


এই বিভাগের আরও খবর