শিরোনাম:
পচা দুর্গন্ধে ৯৯৯-এ ফোন, ফরিদগঞ্জে তরুণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মতলব প্রেসক্লাবের সদস্য সোবহান ফারুক বেঁচে নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক ‎মতলব উত্তরে দুর্বৃত্তদের আগুনে দোকান পুড়ে ছাই হত্যা করে মাকে কলাবাগানে ফেলে রাখে ছেলে, ৮ দিন পর গ্রেপ্তার শাহমাহমুদপুরের সাবেক চেয়ারম্যান  অ্যাড: তাহের হোসেন রুশদী’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজকে জাতীয়করণের জোরালো দাবি চাঁদপুরে ‘সচেতনতা ও সুরক্ষা ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই

শাহরাস্তিতে ফসলি জমির মাটি বিক্রির হিড়িক

reporter / ৪৯৬ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৩

মানহীন ট্রাক চলাচলের ফলে সৃষ্ট দূর্ঘটনায় বাড়ছে মৃত্যু
রাফিউ হাসান হামজাঃ চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বিভিন্ন ইউনিয়নের ফসলি জমি ও পুকুর সংস্কারের নামে মাটি কাটার হিড়িক পড়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই একটি অসাধু চক্র প্রকাশ্যে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করছে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে। এসব মাটি ট্রলি ও ট্রাকসহ বিভিন্ন গাড়িতে নিয়ে যাবার সময় সড়কে মাটিগুলো পড়ছে। আবার এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে পুকুর খনন করে মাটি বিক্রি করা হলেও এ বিষয়ে কারো কোনো মাথা ব্যাথা নেই। এতে স্থানীয় সড়ক নষ্ট হচ্ছে। আর প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারী) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার রায়শ্রী উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মধ্যবর্তী মাঠ থেকে এস্কেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছেন স্থানীয়রা। এসব পুকুর খননকারী ও মাটি বিক্রেতাদের কাছে জানতে চাইলে তারা প্রশাসনের অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি। ওই ইউনিয়নের ভূমি অফিসের নায়েবের কাছ থেকে জানা গেছে, তাদের কারোরই মাটি কাটার অনুমতি নেই।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, কিছু মাটি ব্যবসায়ী ফসলি জমির মালিকদের সঙ্গে চুক্তি করে মাটি কেটে বিক্রি করছেন। মাটি বহনকারী গাড়ি, ট্রলি, ট্রাক চলাচলে বিভিন্ন রাস্তায় দ্রুত গতিতে চলাচল করছে। আকার ভেদে প্রতি গাড়ি মাটি ১৫শ’ থেকে ২৫’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক জায়গায় সড়কের অংশ কেটে গাড়ি উঠা-নামার ব্যবস্থা করায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি এসব যানবাহনে মাটি বহন করার সময় ধুলাবালিতে পথে চলাচলকারী মানুষের নানা সমস্যা হচ্ছে। মানুষ শ্বাসকষ্টসহ বায়ু দূষণজনিত অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
মাটি নিয়ে যাওয়ার কারণে আশপাশের ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জানানোর পর তারা মাটি খনন বন্ধ করে দিলেও কিছুদিন পর মাটি ব্যবসায়ীরা আবার মাটি কাটা শুরু করেন। এভাবেই ফসলি জমিতে পুকুর খনন আর মাটি বিক্রির উৎসব চলছে। অনেকে আবার দিনে মাটি না কেটে রাতের আঁধারে মাটি কেটে বিক্রি করছেন। কিন্তু প্রশাসনের নজরদারিতেও বন্ধ হচ্ছে না মাটি কাটা ও বিক্রির ব্যবসা।
উল্লেখ্য, উপজেলায় একই সপ্তাহে ট্রাকের ধাক্কায় ২ জন শিশু নিহতের ঘটনা ঘটেছে। রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রাম ও রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের বেরনাইয়া বাজারে দূর্ঘটনায় জন্য এসব ট্রাকগুলোই দায়ী। অজানা কারণেই মানহীন এই ট্রাকগুলো প্রশাসনের নাকের ডগায় চলাচল করলেও প্রশাসন কার্যকরী কোনো ভূমিকা না নেয়ায় স্থানীয়রা সকলেই ক্ষুব্ধ।


এই বিভাগের আরও খবর