শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪১৩তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান

মতলব উত্তরে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে  শ্রদ্ধাঞ্জলী ও আলোচনা সভা

reporter / ৩০৩ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২

মতলব উত্তর প্রতিনিধি
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে। এ
উপলক্ষে বুধবার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা
নিবেদন করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশাফুল হাসানের ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আওরঙ্গজেবের সঞ্চালনয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস।
এসময় আরো বক্তব্য দেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল এমরান খান, মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন,
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোজাম্মেল হক, সমাজসেবা কর্মকর্তা
আনিছুর রহমান তপু, উপজেলা প্রকৌশলী মনির হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী সজিব চন্দ্র,
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আ. কাইয়ুম খান, সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. অলিউল্লাহ, মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের সভাপতি
বোরহান উদ্দিন ডালিম প্রমুখ। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, সরকারি কর্মকর্তা ও
সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস বলেন, পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের মাটি চেয়েছিলো, মানুষ নয়। যে কারণে তারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
ডিসেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনী ও মিত্র বাহিনীর যৌথ আক্রমণে পাকিস্তানিরা মানসিকভাবে
দুর্বল হয়ে পড়ে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ঠিক আগে বিশ্বাসঘাতক আলবদর ও আলশামসদের মাধ্যমে তালিকা করে দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এ অপশক্তির চক্রান্ত স্বাধীনতার পরেও চলেছে।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে ধর্মনিরপেক্ষ ভাবনা পরিহার করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার চেষ্টা চলে। পরাজিত শক্তিরা আজও বঙ্গবন্ধু ও সংবিধানের বিরুদ্ধে কথা বলে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আরও একটি দুর্ভাগ্য, আমাদের নিজ নিজ এলাকায় কারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী এবং ‘৭১-এর পরাজিত শক্তির এজেন্ট তাদের নামও আমরা জানি না। অথচ আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধের এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী তাদের নামগুলো ওই পরাজিত শক্তির কাছে তৈরি
করা আছে; সুযোগ পেলেই আমাদের তারা সহজেই টার্গেট করতে পারে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে যখন জাতীয় ঐক্যের ডাক আসে, তখন আমরা তাদের শনাক্ত করতে পারি না।


এই বিভাগের আরও খবর