শিরোনাম:
লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান দেশসেরা কর্মচারী এখন হাজীগঞ্জের গর্ব পচা দুর্গন্ধে ৯৯৯-এ ফোন, ফরিদগঞ্জে তরুণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মতলব প্রেসক্লাবের সদস্য সোবহান ফারুক বেঁচে নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক

আগামীকাল জেল হত্যা দিবস

reporter / ৩০৩ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩

৩ নভেম্বর শুক্রবার জেল হত্যা দিবস । আওয়ামী লীগসহ বাংলাদেশের বেশ কিছু রাজনৈতিক দল কর্তৃক প্রতি বছর ৩ নভেম্বর দিবসটি যথাযথ ভাবে পালন করে । ১৯৭৫ সালের আজকের দিনে আওয়ামী লীগের চারজন জাতীয় নেতা-সৈয়দ নজরুল ইসলাম,তাজউদ্দীন আহমদ,মুহাম্মদ মনসুর আলী এবং আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান কে জেলের ভেতর নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে এ দিবসটি পালন করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির ৩২ নাম্বার নিজ বাসভবনে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মোস্তাক আহমেদ নিজেকে রাষ্টপতির পদে আসীন করে সামরিক শাসন জারি করে। এর আগে ২২ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় মহান চার নেতাকে গ্রেফতার করে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারে পাঠায়।

২ মাস ২৩ দিন পর একই বছরের ৩ নভেম্বর গভীর রাতে ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের খুনিচক্র সেনাসদস্যরা দেশত্যাগ করার পূর্বে খন্দকার মোস্তাক আহমেদের অনুমতি নিয়ে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রিয় কারাগারের অভ্যন্তরে বে-আইনিভাবে প্রবেশ করে। সেখানে বন্দি অবস্থায় থাকা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী তৎকালীন জাতীয় চার নেতা-সৈয়দ নজরুল ইসলাম,তাজউদ্দীন আহমদ,ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে গুলি করে ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্টের পর ৩ নভেম্বর অপর একটি নারকীয় হত্যাকান্ড।


এই বিভাগের আরও খবর