স্টাফ রিপোর্টারঃ চাঁদপুর সদরের ১২নং চান্দ্রা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বাখরপুরে গাজীস্কুল সংলগ্ন ৩ গম্বুজ মসজিদের পাশে হাকডাক দিয়েই চলছে ইলিশ বেচাকেনা। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কয়েক লাখ টাকার মণে মণে ইলিশ বেচাবিক্রি চলছে। দুর্গম চর হওয়ায় প্রশাসনের তেমন নজরদারি সেখানে নেই বললেই চলে। আর এই সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে ইলিশ পাচারকারী সিন্ডিকেট দিনেই হচ্ছেন লাখপতি।
১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ইলিশ বেচাকেনার হাটের এমন ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এখানে লাখ লাখ টাকার ইলিশ বেচাকেনা চলছে। স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বড় রকমের দালাল চক্রের মাধ্যমে নানা দামে ইলিশ বেচাকেনা চলছে। এতে করে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান অনেকটাই ভেস্তে যাচ্ছে।
এদিকে এদিনে ‘নৌ পুলিশকে সহযোগিতা করি, নিষিদ্ধকালীন মা ইলিশ না ধরি’ স্লোগান কে ধারন করে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে মৎস্য গবেষক, জেলে প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন মহলের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা ও নৌ র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে নৌ পুলিশের আয়োজনে শহরের বড়ষ্টেশন মোলহেডে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পদ্মা মেঘনা ও ডাকাতিয়ার ত্রিনদীর মোহনা হতে স্পীডবোট ও ট্রলার নিয়ে হাইমচর পর্যন্ত নৌ র্যালী করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
গেস্ট অব অনারের বক্তব্য রাখেন নৌ পুলিশের আইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন মা ইলিশ সংরক্ষণে এই ২২ দিন সকলকে একযোগে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি এবং সরকার নদীতে ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। অসাধু জেলে চক্রের বিরুদ্ধে আমরা তথ্য পেলেই অভিযান চালাবো। এক্ষেত্রে তথ্যদাতার ওপর কোন চাপ আসতে দেয়া হবে না। আমরা ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সকলকে সাথে নিয়ে একযোগে কাজ করবো।