পরে ভেজাল মাঠা বিভিন্ন দোকান, পাড়া-মহল্লা ও রাস্তার মোড়ে বিক্রি করা হচ্ছে। মাঠার নেই কোন উৎপাদন ও মেয়াদ উর্ত্তিনের তারিখ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নষ্ট দুধ, চিনি, লবন, টিস্যুসহ আরোও নানা উপাদান মিশিয়ে বানানো হচ্ছে এ মাঠা। এ ব্যবসার সাথে জড়িত অসাধু ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করে থাকে। কয়েক বছর আগে অবৈধ ভাবে বিএসটিআইএর সিল ও অনুমোদন না থাকায় পুরান বাজার ঘোষ পাড়ার কয়েকটি বসত ঘরের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমান আদালত জরিমানা করে। এ বছর তেমন কোনো অভিযান এখনো পুরান বাজার ঘোষ পাড়ায় চোখে পরেনি। এ বছর রোজার শুরু থেকে পরিলক্ষিত হচ্ছে প্রতি দিন ভোর থেকে এ এলাকার অসাধু মাঠা ব্যবসায়ীরা ১০/১২ টি ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক, সিএনজি স্কু্টার যোগে হরিনা, চান্দ্রা, বালিয়া, লক্ষিপুর, হাইমচরসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে এস ভেজাল মাঠা বাজারজাত করছে। এসব ভেজাল মাঠা খেয়ে সাধারণ মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাঃ সূজাউদ্দোলা রুবেল বলেন, ‘নিন্ম মানের মাঠা পান করলে বদহজম, পেট ফাপা, পেট ব্যাথা, ডায়রিয়াসহ নানা ধরনের শারিরিক সমস্যা হতে পারে। তবে ইফতারে পচাঁ বাসী খাবার না খাওয়াই ভাল।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকক কার্যালয় ম্যাজিস্ট্রেট ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চাঁদপুর কার্যালয়ের বাজার মনিটরিং বা মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা একান্ত প্রয়োজন বলে সাধারন ক্রেতারা মনে করেন।