শিরোনাম:
লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান দেশসেরা কর্মচারী এখন হাজীগঞ্জের গর্ব পচা দুর্গন্ধে ৯৯৯-এ ফোন, ফরিদগঞ্জে তরুণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মতলব প্রেসক্লাবের সদস্য সোবহান ফারুক বেঁচে নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক

ফরিদগঞ্জে প্রকাশ্যে অবৈধ ভেকু দিয়ে মাটি উত্তলন \ নষ্ঠ হচ্ছে গ্রামীন সড়ক

reporter / ৬৫৬ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ মে, ২০২৩

জাকির হোসেন সৈকত,ফরিদগঞ্জ:
অবৈধ ভাবে প্রকাশ্যে ফসলি জমির মাটি কাটার কর্মযজ্ঞ
চালাচ্ছে প্রভাবশালী মহল। চলছে ফসলী জমির মাটিকাটা মহা
উৎসব। কৃষি জমি পরিনত হচ্ছে পুকুর-ডোবায়। দিন দিন
ফসলের উৎপাদন কমছে, বেকার হচ্ছে কৃষক, নষ্ট হচ্ছে সড়ক,
দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।
মাটি পরিবহনে অবৈধ ভারী ট্রাক ও মাহেন্দ্র ট্রলি ব্যবহারে
ইউনিয়ন ও গ্রামীণ সড়ক হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ। আইন অমান্য করে
এমনি কর্মকাÐ চলছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। ভেকু দিয়ে
এ মাটি কাটছে। অবৈধ মাহেন্দ্র চলাচলে ধুলার কুয়াশায়
ডেকে গেছে গোটা এলাকা।
সরজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার ১৫নং রুপসা উত্তর, ১৬নং
রুপসা দক্ষিন, ৩নং সুবিদপুর, ৫নং গুপ্টি, ৮নং পাইকপাড়া
ইউনিয়নে প্রকাশ্যে অবৈধ ভাবে চলছে ভেকু দিয়ে মাটি
উত্তলন। এতে যেমন ফসলি জমি ক্ষতি হচ্ছে ঠিক তেমন নষ্ঠ হচ্ছে
গ্রামীন সড়ক। উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের নাম ব্যবহার
করে চলে এই সকল ভেকু ও অবৈধ ট্রাকটার। এই বিষয়ে দ্রæত
ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয় লোকজন বলেন, ফসলী জমি ভেকু দিয়ে এই ভাবে মাটি
কেটে নেওয়ার কারনে জমির উরবরতা নষ্ঠ হয়ে যায়। এতে ফসল
উৎপাদন কমে যায়। এই সকল ভেকু দিয়ে মাটি কাটা বন্ধের জোর
দাবি জানাচ্ছি। এদিকে এইসকল মাটি নিতে ব্যবহারিত
অবৈধ ট্রাকটারের কারনে নষ্ট হচ্ছে সড়ক। থানা পুলিশ মেনেজ
করে চলে এইসকল ট্রাকটার। প্রথমে আটক করলে পরে টাকার
বিনিময়ে তা ছেড়ে দেওয়া হয়।

কয়েকজন ভেকুর মালিক বলেন, নিজের জমিতে নিজেরা মাটি
কাটবে তাতে আপনাদের সমস্যা কোথায়। আমরা এই সকল
মাটি কাটতে উপজেলা প্রশাসন ও থানা মেনেজ করে করতে হয়।
আমরা সেটার নিয়ম মেনে কাজ করেছি। আমরা সব মেনেজ করে
রেখেছি।
ফরিদগঞ্জ থানা অফিসার ইনর্চাজ আব্দুল মান্নান বলেন, আমরা
এই বিষয়ে কিছু জানিনা। তারা আমাদের না ব্যবহার করে এই
কাজ করছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমুন নেছা বলেন, যেই
খানে এই ধরনের খবর পাই সেই খানে আমরা লোক পাঠিয়ে
থাকি। কিন্তু ঘটনাস্থলে ভেকুর মালিকসহ কাউকে না পেলে
আমরা আলামত নিয়ে আসি। আমরা কাউকে চাড় দেইনা দেবো
না। যারাই এই ধরেন কাজ করবে তাদের বিরোদ্ধে আইন অনুযায়ী
ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


এই বিভাগের আরও খবর