শিরোনাম:
শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান দেশসেরা কর্মচারী এখন হাজীগঞ্জের গর্ব

ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই

reporter / ১৬৯ ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

গিয়াস উদ্দিন:
  চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৬নং  রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি পরিবারের ২০টি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। বুধবার দুপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে অন্তত ১ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামের বেচার বাপের বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়া আগুনে দেলোয়ার ও তার প্রতিবেশী মোকবুল হোসেন, নজরুল ইসলাম তুষার, আইয়ুব আলী, আবুল কাশেম, আবুল খায়ের, ইমরান হোসেন, আবুল হাসেম, মামুনসহ তাদের স্বজনদের মোট ২০টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, দুপুরে রান্নাবান্না শেষে গোসল করে আসার পর হঠাৎ আগুন দেখতে পাই। মুহূর্তেই লেলিহান শিখা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের ১১টি পরিবারের সব ঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে।
ইমরান হোসেন জানান, দেলোয়ার হোসেনের ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের ঘরের কিছুই অবশিষ্ট নেই। দাবানলে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।
রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির জানান, এ অগ্নিকাণ্ডে উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামের ২০টি বসতঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে।
ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দলনেতা কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘন্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর গুলোর কোন কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারও পুড়ে গেছে। আক্রান্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর