স্থানীয়রা জানান, চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের শাহতলী রেল স্টেশনের দক্ষিণের সড়কে শুরু থেকে এসব অবৈধ ব্যবসায়ীদের দখল। পাশে বসতবাড়ী থাকলেও তাদের কোন মাথা ব্যাথা নেই। ধুলা-বালি উড়ে গিয়ে এসব বাড়ী ঘড় এবং গাছের পাতার রং পরিবর্তন হয়েগেছে। এসব ব্যবসার জন্য পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে। ইট, বালু, পাথর বহন করে ট্রাক ও ট্রাক্টর উন্ম্ক্তু সড়ক দিয়ে চলাচল করছে। পরিবহনের ধুলা বালু শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চোখে মুখে গিয়ে পড়ছে। প্রতিবাদ করেও কোন লাভ হয় না। কারণ তারা খুবই প্রভাবশালী।
ওই এলাকায় বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন মো. মনির কারী, মো. শফিক কবিরাজ, সোহেল কারী। এদের মধ্যে মনির কারী ও সোহেল কারী নতুন করে বাণিজ্যিকভাবে মার্কেট নির্মাণ কাজ করছেন।
এই বিষয়ে মনির কারী বলেন, মার্কেট নির্মাণ কাজ চলমান অবস্থায় উপজেলা পরিষদ থেকে লোক এসে বাঁধা দিয়েছে। এখন নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছি।
সোহেল কারী বলেন, আমার বর্তমান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও সরকারি জায়গার ওপর। টিন ও কাঠের তৈরী। এটি যে কোন সময় উচ্ছেদ করা যাবে। তবে ছোট ভাইরা নতুন করে মার্কেট নির্মাণ কাজ শুরু করে। আমি তাদেরকে নিষেধ করেছি। তারা আমার কথা মানেনি।
শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান নান্টু বলেন, সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে দখল করে মার্কেট নির্মাণের কথা আমিও শুনেছি। তবে এই বিষয়ে উপজেলা থেকেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) চাঁদপুর কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী ইমরুল কায়েস মির্জা কিরণ বলেন, খালের উপর সেচ গেট আমাদের হলেও পুরাতন। কেউ দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করলে আমাদের কিছু করার নেই। কারণ এই বিষয়টি প্রশাসন দেখবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) চাঁদপুর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী ফুয়াদ আহসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সড়কের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ করা যাবে না। আমি বিষয়টি তাৎক্ষনিক উপজেলা প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দিয়েছি। তিনি এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।