শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

শাহরাস্তিতে মসজিদের মুসল্লীদের নামে হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

reporter / ৪৩০ ভিউ
আপডেট : শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২

★স্থানীয় সাংসদ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা ★

রাফিউ হাসানঃ চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার উত্তর শুয়াপাড়া আশ্রাফ আলী বাড়ী জামে মসজিদের কমিটি ও মুসল্লীদের নামে মিথ্যা মামলা, হয়রানী ও নাজেহালকারী আব্দুর রবের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে শান্তিপ্রিয় মুসল্লীর ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী অবস্থান পালন করা হয়েছে।
১লা এপ্রিল রোজ শুক্রবার জুমা’র নামাজের পূর্বে মসজিদ প্রাঙ্গনে এ কর্মসূচী পালিত হয়। এ সময় মুসল্লীরা অভিযুক্ত আব্দুর রবের শাস্তির দাবিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সুদৃষ্টি কামনা করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান।
মানববন্ধনে বর্তমান কমিটির মোতায়াল্লী মোঃ শফিউল্লাহ, সভাপতি ওসমান গনি, সেক্রেটারি মোঃ ইব্রাহিম খলিল, কার্যকরী সদস্য মনোয়ার হোসেন সহ শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি আব্দুর রবের দায়ের কৃত একাধিক মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার সুষ্টু তদন্ত দাবি করে তাদের হেনস্তা করা আব্দুর রবের বিচারের দাবিতে বক্তব্য প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে আব্দুর রবের পিতা মৃত আলী মিয়া রেজিঃকৃত ১৬২৮ নং ওয়াকফ নামা দলিল মূলে সিএস ১৬২ নং খতিয়ানভুক্ত ভূমি অন্দরে. ০৯ একর এবং সিএস ১৮৭ নং খতিয়ানভুক্ত ভূমি অন্দরে.০৪৫০ একর এবং বিগত ২৭/০৬/২০০৫ ইং তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত ৩৯২৬ নং ওয়াকফ নামা দলিল মূলে মসজিদের নামে দান করেন। কিন্তু মৃত আলী মিয়ার সন্তান আব্দুর রব উক্ত জমি দানের বিষয়টি না মানতে পেরে পিতা জীবিত থাকা অবস্থায় আলী মিয়াকে বাদী করে জমি দখল ফেরত শর্তে ২৮/১১/২০১২ ইং তারিখে আদালতে মামলা করলে তা প্রত্যাখিত হয়। আব্দুর রব আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট না হয়ে পুনরায় ০৫/০৬/২০১৪ ইং তারিখে ওয়াকফনামা দলিল বাতিলের প্রার্থনায় আদালতে মামলা করেন, যা ১২/০৬/২০১৪ ইং তারিখে ডিক্রীমূলে দোতরফা সূত্রে আদালত কর্তৃক ডিসমিস হয়। পরবর্তীতে আব্দুর রব মিয়া বিভিন্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানীমূলক মামলা করে উক্ত মসজিদ কমিটির সদস্য ও মুসল্লিদের হেনস্তা করছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালালেও আব্দুর রব মিয়ার একগুয়েমির কারণে কোন সমাধানের পথ দেখে নি৷
মানববন্ধনে বর্তমান কমিটি সেক্রেটারী মোঃ ইব্রাহিম খলিল বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। এখানে সবাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা সারাদিনে ৫ বার মিলিত হই নামাজের সময়। অথচ জমি সংক্রান্ত ঝামেলাগুলোতে আমাদের নাম জড়িয়ে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে আমাদের প্রতিনিয়ত।
যেখানে আব্দুর রবের পিতা মৃত মোঃ আলী নিজেই মসজিদ নির্মাণ, তা পুনর্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, সেখানে তার সন্তানের এমন ঘৃণিত কাজ আমাদেরকে মর্মাহত করে।
মানববন্ধনে মুসল্লী রবিউল হোসেন বলেন, আব্দুর রবের সাথে আমরা স্থানীয়ভাবে বারংবার সমাধানের লক্ষ্যে বসতে চাইলেও তিনি মসজিদ ভেঙ্গে তার সম্পত্তি দাবি করেন। অথচ মসজিদটি তার বাবার নিজ হাতে গড়া। মসজিদটি যখন টিনের ছিলো তখন থেকেই তার বাবার অবদানে আজ মসজিদটি দুই তলা ভিত্তি স্থাপনাধীন।  সুসজ্জিত মসজিদটিতে একসাথে ২ শতাধিক মুসল্লি নামাজ পড়তে পারে। কিন্তু এত কিছু দেখেও বর্তমানে আব্দুর রব সমাজের লোকদের বিরুদ্ধে গিয়ে মানহানিকর মামলা দিচ্ছেন। এতে করে সমাজের সকলেই আমরা বিব্রত। আমি স্থানীয় সাংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম মহোদয়, জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস মহোদয়,পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করে সুষ্টু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।


এই বিভাগের আরও খবর