নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে চাঁদপুরের আট উপজেলায় পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে জেলার প্রতিটি উপজেলায় তিনটি করে ইউনিয়ন এবং চাঁদপুর পৌরসভার তিনটি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রক্রিয়ায় উপকারভোগী পরিবার নির্বাচন করা হবে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ২টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুর সফরকালে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন এবং নিজ হাতে উপকারভোগীদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করেন। বর্তমানে জেলার প্রতিটি উপজেলায় তিনটি করে ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। সকলের সহযোগিতায় চাঁদপুরে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।
এর আগে একই দিন তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চাঁদপুরে কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার করে সোমবার থেকে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে স্কোর নির্ধারণ করা হবে। এর ভিত্তিতে কোন পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে, তা চিহ্নিত করা হবে। এ লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে চাঁদপুর পৌরসভার ১, ২ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া জেলার আট উপজেলার নির্বাচিত ইউনিয়নগুলো হলো—
সংশ্লিষ্ট উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় নিজ নিজ এলাকায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয় ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।