নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চাঁদপুর সদর উপজেলার৬ নং মৈশাদী ইউনিয়নের দক্ষিণ মৈশাদি গ্রামের মিজি বাড়িতে সম্পত্তি দখলের পায়তারা করছে প্রতিপক্ষ ভূমি দসুরা। তারা ঐ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হানিফ মিজির বসতঘর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করেছে। বসত বাড়িতে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩০ ডিসেম্বর সকাল অনুমান সাড়ে আটটায় । এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী হানিফ মিজি চাঁদপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, মৈশাদি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড দক্ষিণ মৈশাদী গ্রামের মিজি বাড়ির হানিফ মিজির মালিকানা সম্পত্তি প্রতিপক্ষ ইমরান খান, ইমন খান, শাহান খান, জাহাঙ্গীর খান, মান্নান খান সহ ভূমিদস্যুরা সম্পত্তি দখলের পায়তারা করছে বহুদিন ধরে। এই চক্রটি কথায় কথায় হানিফ মিজি ও তার পরিবারকে প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে। এমনকি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপর বেশ কয়েকবার হামলাও করেছে বলে ভুক্তভোগী হানিফ মিজি জানান। বিবাদী জাহাঙ্গীর খান আদালতে দরখাস্ত মামলা দায়ের করেন হানিফ মিজির বিরুদ্ধে (মামলা নং ১১৬০/২২)। আদালত মামলার রায় হানিফ মিজির পক্ষে প্রদান করে। এতে বিবাদীরা হানিফ মিজি ও তার পরিবারের উপর আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। বিষয়টি তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সালিশদারদেরকে জানালেন সালিশ দরবারের মাধ্যমে বিবাদীদেরকে সতর্ক করে দিলে ও তারা কারো কথা কর্ণপাত করেনা। হানিফ মিজি বাড়িতে ঘর তৈরির প্রস্তুতি নিলে ৩০ ডিসেম্বর সকাল অনুমান সাড়ে ৮ টার দিকে প্রতিপক্ষ ইমরান খান, ইমন খান, শাহান খান, জাহাঙ্গীর খান, মান্নান খান সহ ভূমিদস্যুরা ভাড়াটে লোকদের এনে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়। বসত ঘর কুপিয়ে ও ভাংচুর করে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। তিনি আরো জানান, তার স্ত্রী রহিমা বেগম কে মারধর করে শ্লীলতা হানীর চেষ্টা করে। ঘরের আলমারিতে রাখা ঘর নির্মানের প্রায় দেড় লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। তাছারা আরো মূল্যবান জিনিষ নিয়ে যায়। আইনের দ্বারস্হ হলে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে হানিফ মিজি তার পরিবার নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার মানিক জানান, গত ৬ মাস পুর্বে আমরা পরিষদের মাধ্যমে মিমাংসা করার জন্য উভয়পক্ষে নিয়ে বসি। এতে কাগজ পত্রে হানিফ মিজির মালিকানা সঠিক পাই। এখানে জাহাঙ্গীর গংদের কোন প্রকার মালিকানা খুজে পাওয়া যায় নাই বলে রায় দেওয়া হয়। এরপর জাহাঙ্গীর গংয়েরা ঐ শালিস রায় না মানিলে আমরা তাদের আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেই।