প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ চাঁদপুর পৌর এলাকায় ইজিবাইক ও সিএনজিতে যাত্রীভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন চাঁদপুর জেলা কমিটির উদ্যোগে দ্বিতীয় দিনের মতো গণস্বাক্ষর কর্মসাচী ৪ নভেম্বর, শুক্রবার বিকাল ৪টায় শহরের বড়স্টেশন মোলহেড, স্ট্যান্ড রোড, পালবাজার মোড়,পালবাজার, জেএম সেনগুপ্ত রোড, পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি – পেশার নাগরিকদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।
এ সময় উপস্হিত ছিলেন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন চাঁদপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি কমরেড চন্দ্র শেখর মজুমদার, কমিউনিস্ট পার্টির নেতা বিশ্বজিৎ দাস,জেলা যুব ইউনিয়নের সহসভাপতি রনজিত সরকার, জেলা যুব ইউনিয়নের নেতা, গণস্বাক্ষর ও স্মারকলিপি প্রদান বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক সৌরভ ও সদস্য সচিব মানিক খান, যুব নেতা কাউসার গাজী, ফয়সাল খান, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা টিপু সুলতানসহ আরও অনেকে।
এ সময় নেতৃবৃন্দ পৌর নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সম্প্রতি চাঁদপুর পৌর এলাকায় ইজিবাইক ও সিএনজিতে অযৌক্তিকভাবে ভাড়াবৃদ্ধি করা কোনভাবেই উচিৎ হয় নি।সাধারণ মানুষ আজ দিশেহারা। আর্থিক দৈন্যতায় মানুষ আজ পর্যুদস্ত। দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিতে দুর্নীতিবাজ ও লুটেরা ছাড়া সকল মানুষ চরম সংকটে রয়েছে। এর পাশাপাশি গরীব চালক ভাইয়েরাও একই ভাবে সংকটে আছে।তাই এ দূরবস্হায় সবাই সাফার করছে। এ জায়গায় পৌর মেয়র মহোদয় কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারতেন। তিনি যদি লাইসেন্স নবায়ন ফি ও নতুন লাইসেন্স ফি ৫০০০/ টাকায় মধ্যে জমা নেন,তাহলে এ জায়গায় মালিক-চালকদের সাশ্রয় হতো। এবং তিনি পৌরসভায় সকল ধরনের চাঁদা উত্তোলন বন্ধসহ চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ টোল আদায় বন্ধের ব্যবস্হা নিলে ভাড়া বৃদ্ধির প্রয়োজন থাকতো না। আমরা মনে করি একজন বিচক্ষণ ব্যক্তি। তিনি এ বিষয়টি নিয়ে দ্রুত ব্যবস্হা গ্রহণ করবেন এবং অবিলম্বে যাত্রী হয়রানী বন্ধ করবেন।
বক্তারা আরও বলেন একটি পরিবারের ৪/৫ জন লোক যদি যাতায়ত করেন তাহলে প্রতি পরিবারের কমপক্ষে ২০০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা অতিরিক্ত টাকা পকেট থেকে যাবে যা কোনভাবেই কাম্য নয়। তাই মানুষের কষ্ট লাঘব করতে ও সংক্ষুব্দতা কমাতে চাঁদপুর পৌর এলাকার যাত্রীভাড়া পূর্বের জায়গায় নিয়ে আসতে হবে।