শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

বিধবা পারুলের আর্তনাদ…….

reporter / ২৭২ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৩

সরকারী বরাদ্দের কমতি নেই, প্রাপ্তিতে অনিয়ম

স্থানীয় এমপির হস্তক্ষেপ কামনা

রাফিউ হাসান হামজা: চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের আয়নাতলী গ্রামের এক অসহায় বিধবা নারী কঠিন জীবনযুদ্ধে অবতীর্ণ। কিছু জুটলে খান নতুবা না খেয়েই থাকেন এই বিধবা নারী ও তার ৬ষ্ট শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় ২ মাস পূর্বে মারা যাওয়া স্বামী মজুল হকের রেখে যাওয়া ভিটায় দেখার কেউ নেই এই বিধবা ও তার পরিবারকে। মানুষ যে এতটা কষ্টে জীবনযাপন করতে পারে, তা না দেখে বিশ্বাস করা যাবে না! এ যুদ্ধের অংশীদার হতে কেউ-ই তার পাশে নেই, এমনকি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও রাখে না তার খোঁজ! বার বার মেম্বারের কাছে ছুটে গেলেও পায় নি কোনো আশ্বাসও! তীব্র শীতে একটি কম্বলও জুটে নি তার! আবার স্বামী মারা যাওয়ার পর উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় কষ্টকর জীবনযাপন করছে বিধবা পারুল ও তার মেয়ে। তিন মেয়ের মধ্যে ২ মেয়েকে স্থানীয়দের সহায়তায় বিয়ে দিলেও তাদের স্বামীরা দিনমজুর হওয়ায় মেয়েদের সংসার চালাতেই মেয়েরা হিমশিম খায়। সেখানে তাকে সহযোগিতা করবে কে!

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জীবন যুদ্ধে নামা সেই বয়স্ক বিধবার নাম পারুল বেগম। তার বয়স (৫৫)। স্বামী মজুল হক। স্বামী মারা গেছেন দুই মাস পূর্বে। সেই থেকে জরাজীর্ণ ছোট্ট একটি ঘরে অসহায় দিন কাটছে পারুল বেগম ও তার কন্যা সন্তানের। সামান্য বসতভিটা ছাড়া আর কোনো সহায়-সম্পদ নেই পারুলের। এ অবস্থায় নিজের আহারের ব্যবস্থা নিজেকেই করতে হয়। কিছু জুটলে খান আর না জুটলে না খেয়ে থাকেন এই বৃদ্ধা। পারুল বেগমের নামে সরকারি কোনো সহযোগিতা জুটেনি। অসহায় বৃদ্ধা পারুলের দুর্বিষহ কষ্টের জীবন কাহিনী আয়নাতলী গ্রামের কারো অজানা নয়, তবুও তার পাশে নেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

পারুল বেগম বলেন, আমি কয়েকবার স্থানীয় মেম্বারের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে কোন সহযোগিতা করেন নি। স্বামী থাকতে কিস্তি নিয়ে কিনা অটোরিক্সাটিও ঋণ পরিশোধের জন্য বিক্রি করে দেই। তবুও ঋণ শোধ হয় নি। এই ভিটি আমার শেষ সম্বল। এটি বিক্রি করলেও ঋণ শোধ হবে কিনা সন্দেহ! স্থানীয় এমপি মেজর (অব) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের সহযোগিতা কামনা করি। তিনি চাইলে আমি আর আমার মেয়ে বাকি দিনগুলো খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারতাম, নাহলে আত্নহত্যা ছাড়া আমার আর গতি নাই।

এ ব্যাপারে স্থানীয় চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর সাথে কথা হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পারুল বেগমের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে অতি দ্রুত বিধবা ভাতার ব্যবস্থা করে দিবো।


এই বিভাগের আরও খবর