নিজস্ব প্রতিবেদক।
মাত্র ৪ বছর বয়সে ছোট্র শিশু আবদুল্লাহ বিন হায়াম প্রচন্ড গরমকে উপেক্ষা করেও
আল্লাহ্ধসঢ়; তালার সন্তষ্টির জন্য পবিত্র মাহে রমজানের রোজা রাখলো। সে দীর্ঘদিন
যাবত পুরো রোজা রাখার অধির আগ্রহ প্রকাশ করে যাচ্ছিল পরিবারের কাছে। সে
অনেক দিন যাবত রোজা রাখার জন্য রাতে সেহরী খেলেও দিনের অর্ধেক সময় রোজা
রেখে আর পানি পান না করে থাকতে নাপেরে রোজা ভেঙ্গে ফেলে। এভাবে সে গত
২২টি রোজার মধ্যে প্রায় ৮দিন চেস্টা চালায়।
সে সন্ধ্যা রাতের খাবার অথবা ভোর রাতে সেহরী খেয়ে দুপুর পর্যন্ত না’খেয়ে থেকে
রোজা থাকার চেস্টা করে। পরে পরিবারের চাপে অথবা পানির প্রচন্ড তৃষ্ণা পেলে পানি
পান করে ফেলে। এ ভাবে চলে যায় ২১তম পবিত্র মাহে রমজানের রোজা।
আজ শুক্রবার(১৪ এপ্রিল) ২২ তম রোজার দিনে সে প্রচন্ড গরমের মধ্যেও অনেক কষ্ট
স্বীকার করে আল্লাহ্ধসঢ়; তালার অশেষ রহমতে রোজার ২২তম দিনে একটি রোজা রেখে
শিশু আবদুল্লাহ বিন হায়াম মনের ভাষনা পূরন করতে পারলো। সে গতকাল
বৃহস্পতিবার রোজার রাখার জন্য রাতভর জেগে থাকে।
ভোররাতে মাইকে যখন পবিত্র মাহে রমজানের সেহরী খান বলে মাইকিং করতে
থাকে,তখন সে শব্দ পেয়ে সেহরী খেয়ে রোজা রাখার প্রস্ততি নেয়। আবদুল্লাহ বিন
হায়াম সারা দিন পানি জন্য অনেক কষ্ট পেলেও তার দাদি শামছুন্নাহারের
অনুপ্রেরনায় দিনটি অতিবাহিত করে রোজা রাখা সম্বব হয়েছে তার।
শিশুর পরিচয় হলো সে চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও আলোকিত
বাংলাদেশ পত্রিকার চাঁদপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক মোহাম্মদ শওকত আলীর নাতি।
সে শহরের হাসান আলী সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেনীর ছাত্র। সে
শহরের পশ্চিম নাজির পাড়া ছৈয়াল বাড়ি এলাকার বাসিন্দা প্রান পরিবেশক মো:
হাসান আলী সেন্টুর এক মাত্র পুত্র। চাঁদপুর সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-
সভাপতি ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হোসেন আলী মিন্টুর ভাতিজা। শিশুটির উজ্জল
ভবিষ্যত কামনা করে সকলের কাছে মাহে রমজান মাসে তার জন্য দোয়া চেয়েছেন,শিশুর
অভিভাবক,বাবা,মা,দাদা,দাদি ও কাকা।