শিরোনাম:
অসহায় ও দরিদ্র শীতার্তদের মাঝে ছাত্র হিযবুল্লাহর শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষার্থী বৃদ্ধি ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ঘাসিরচরে সম্মিলিত প্রচেষ্টা মতলব উত্তরে শীতার্তদের পাশে ‘নবজাগরণ ঐক্য ফাউন্ডেশন’ মতলবে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, মালামাল লুট মতলব দক্ষিণে পরিত্যক্ত রান্নাঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার মতলব উত্তরে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল মতলব দক্ষিণে ভেটেরিনারি ফার্মেসীগুলোতে অভিযান, চাঁদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধ : হাতুড়ির আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু মতলবে সরকারি গাছ নিধন: বনবিভাগ-এলজিইডির দোষারোপে জনরোষ মতলব উত্তরে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ অপহরণ মামলায় খালাস

reporter / ২১১ ভিউ
আপডেট : সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হত্যা, ধর্ষণ ও অপহরণসহ ১১ মামলার আসামী দেশজুড়ে আলোচিত সিরিয়াল লেডি কিলার রসু খাঁ রুমা আক্তার নামে গার্মেন্টস শ্রমিককে বিয়ের প্রলোভনে অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী এই রায় দেন।
অপহরণের শিকার রুমা আক্তার রাজধানীর উত্তরায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার বাড়ী ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার পাঁচরুকী গ্রামে।
মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, ২০০৪ সালের ৬ ডিসেম্বর মাসে লেডি কিলার রসু খাঁ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রুমা আক্তারকে চাঁদপুরে সদরের বালিয়া ইউনিয়নে মামার বাড়িতে নিয়ে আসে। রুমা এখানে এসে দেখেন তার পূর্বের স্ত্রী সন্তান আছে। তখন রুমা আর রসু খাঁর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে ১৭ ডিসেম্বর রাতে রুমাকে ঢাকায় নিয়ে যাবে বলে রসু খাঁ ওই ইউনিয়নের চাপিলা বিলের মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। রুমার চিৎকার আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে রসু খাঁ কেটে পড়ে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সংবাদ পেয়ে রুমার পিতা মো. গিয়াস উদ্দিন চাঁদপুরে আসেন এবং মেয়ে সুস্থ্য হওয়ার পর ২০০৫ সালের ৬ জানুয়ারি চাঁদপুর সদর মডেল থানায় বিয়ের প্রলোভনে অপরহণের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় রসু খাঁকে আসামী করে মামলা করেন।
মামল তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদুর রহমান তদন্ত শেষে ২০০৫ সালের ২৯ এপ্রিল আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সাইয়্যেদুল ইসলাম বাবু বলেন, মামলাটি দীর্ঘ ১৮ বছর আদালতে চলমান অবস্থায় ৮জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে। সাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামীর উপস্থিতিতে এই রায় দেন।
রসু খাঁর বিরুদ্ধে নারীদের ধর্ষণ ও অপহরণের দায়েরসহ ১১ টি মামলা হয়। তিনটিতে মৃত্যুদন্ড, দুইটিতে খালাস ও ছয়টি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন দেবাশীষ রায় ও এবং সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটার (এপিপি) ছিলেন খোরশেদ আলম শাওন।
এর আগে ১১ জন নারীকে হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রসু খাঁ। খুন হওয়া নারীদের সবাই পোশাক কারখানার শ্রমিক। তাদের বয়স ছিল ১৭ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।


এই বিভাগের আরও খবর