শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

বিধবা পারুলের আর্তনাদ…….

reporter / ৩২০ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৩

সরকারী বরাদ্দের কমতি নেই, প্রাপ্তিতে অনিয়ম

স্থানীয় এমপির হস্তক্ষেপ কামনা

রাফিউ হাসান হামজা: চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের আয়নাতলী গ্রামের এক অসহায় বিধবা নারী কঠিন জীবনযুদ্ধে অবতীর্ণ। কিছু জুটলে খান নতুবা না খেয়েই থাকেন এই বিধবা নারী ও তার ৬ষ্ট শ্রেনীতে পড়ুয়া মেয়ে।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় ২ মাস পূর্বে মারা যাওয়া স্বামী মজুল হকের রেখে যাওয়া ভিটায় দেখার কেউ নেই এই বিধবা ও তার পরিবারকে। মানুষ যে এতটা কষ্টে জীবনযাপন করতে পারে, তা না দেখে বিশ্বাস করা যাবে না! এ যুদ্ধের অংশীদার হতে কেউ-ই তার পাশে নেই, এমনকি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও রাখে না তার খোঁজ! বার বার মেম্বারের কাছে ছুটে গেলেও পায় নি কোনো আশ্বাসও! তীব্র শীতে একটি কম্বলও জুটে নি তার! আবার স্বামী মারা যাওয়ার পর উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় কষ্টকর জীবনযাপন করছে বিধবা পারুল ও তার মেয়ে। তিন মেয়ের মধ্যে ২ মেয়েকে স্থানীয়দের সহায়তায় বিয়ে দিলেও তাদের স্বামীরা দিনমজুর হওয়ায় মেয়েদের সংসার চালাতেই মেয়েরা হিমশিম খায়। সেখানে তাকে সহযোগিতা করবে কে!

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জীবন যুদ্ধে নামা সেই বয়স্ক বিধবার নাম পারুল বেগম। তার বয়স (৫৫)। স্বামী মজুল হক। স্বামী মারা গেছেন দুই মাস পূর্বে। সেই থেকে জরাজীর্ণ ছোট্ট একটি ঘরে অসহায় দিন কাটছে পারুল বেগম ও তার কন্যা সন্তানের। সামান্য বসতভিটা ছাড়া আর কোনো সহায়-সম্পদ নেই পারুলের। এ অবস্থায় নিজের আহারের ব্যবস্থা নিজেকেই করতে হয়। কিছু জুটলে খান আর না জুটলে না খেয়ে থাকেন এই বৃদ্ধা। পারুল বেগমের নামে সরকারি কোনো সহযোগিতা জুটেনি। অসহায় বৃদ্ধা পারুলের দুর্বিষহ কষ্টের জীবন কাহিনী আয়নাতলী গ্রামের কারো অজানা নয়, তবুও তার পাশে নেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

পারুল বেগম বলেন, আমি কয়েকবার স্থানীয় মেম্বারের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে কোন সহযোগিতা করেন নি। স্বামী থাকতে কিস্তি নিয়ে কিনা অটোরিক্সাটিও ঋণ পরিশোধের জন্য বিক্রি করে দেই। তবুও ঋণ শোধ হয় নি। এই ভিটি আমার শেষ সম্বল। এটি বিক্রি করলেও ঋণ শোধ হবে কিনা সন্দেহ! স্থানীয় এমপি মেজর (অব) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের সহযোগিতা কামনা করি। তিনি চাইলে আমি আর আমার মেয়ে বাকি দিনগুলো খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারতাম, নাহলে আত্নহত্যা ছাড়া আমার আর গতি নাই।

এ ব্যাপারে স্থানীয় চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর সাথে কথা হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পারুল বেগমের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে অতি দ্রুত বিধবা ভাতার ব্যবস্থা করে দিবো।


এই বিভাগের আরও খবর