শিরোনাম:
পচা দুর্গন্ধে ৯৯৯-এ ফোন, ফরিদগঞ্জে তরুণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মতলব প্রেসক্লাবের সদস্য সোবহান ফারুক বেঁচে নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক ‎মতলব উত্তরে দুর্বৃত্তদের আগুনে দোকান পুড়ে ছাই হত্যা করে মাকে কলাবাগানে ফেলে রাখে ছেলে, ৮ দিন পর গ্রেপ্তার শাহমাহমুদপুরের সাবেক চেয়ারম্যান  অ্যাড: তাহের হোসেন রুশদী’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজকে জাতীয়করণের জোরালো দাবি চাঁদপুরে ‘সচেতনতা ও সুরক্ষা ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই

প্রতিনিয়ত পাড় ঘেঁষে বালু উত্তোলনের ফলে মতলব উত্তরের এখলাছপুরে মেঘনার ভাঙন রোধে মানববন্ধন

reporter / ৩৮২ ভিউ
আপডেট : বুধবার, ২৫ মে, ২০২২

লিয়াকত হোসাইনঃ
মেঘনার ভাঙন থেকে চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার এখলাছপুর ইউনিয়নকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। মঙ্গলবার (২৫ মে) দুপুরে ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের হাজার হাজার মানুষ মানববন্ধনে অংশ নেয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, মেঘনা নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে শত শত ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙনের শিকার হচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। ভাঙনরোধে সরকার শত শত কোটি টাকা ব্যয় করলেও ভাঙন পুরোপুরি থামানো যায়নি। উপরন্তু বালু বিক্রি করে প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।
বক্তারা বলেন, এখলাছপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় মেঘনার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত বছর বর্ষার ভাঙনে ওই এলাকার সহস্রাধিক হেক্টর জমি ও শত শত ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। ঘরবাড়িহারা পরিবারগুলো এখন মানববেতর জীবনযাপন করছে। এবার বর্ষার শুরুতে আবারও ভাঙন দেখা দেওয়ায় সবার মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
বক্তারা আরো জানান, ৫ বছর ধরে ব্যাপকভাবে ভাঙছে মেঘনা নদী। এ ভাঙনের মুখে আছে গ্রামের এক-দেড় হাজার পরিবার। দ্রুত ভাঙন রোধ করতে না পারলে যে কোনো সময় গ্রাম গুলো নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। প্রতিনিয়ত পাড় ঘেঁষে বালু উত্তোলনের ফলে এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে অভিযোগ করে স্থানীয়রা।
এ সময় এখলাছপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী বলেন, নদী ভাঙ্গনেরর হাত থেকে ৩ টি ওয়ার্ডকে রক্ষা করতে হলে এখনি জিও ব্যাগ বরাদ্দ দিতে হবে। টেকসই তীর সংরক্ষণের মাধ্যমে এখনই লোকালয় রক্ষা করা না হলে কয়েক হাজার পরিবার বাস্তুভিটাহারা হবে। তিনি আরো বলেন, মেঘনা নদী থেকে অপরিকল্পিতভাবে শত শত ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে ও বন্যার অতিরিক্ত পানির চাপে বেশ কিছুু অংশে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। সেসব স্থানে জরুরী ভিত্তিতে জিও ব্যাগ স্থাপন করা প্রয়োজন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার জানান, ভাঙন পরিস্থিতি দেখে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
মানববন্ধনে এখলাছপুর ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী, ইউপি সদস্য দুদু মিয়া মাল, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, গোলাম হোসেন, সাবেক ইউপি সদস্য বজলুর রশিদ দেওয়ান, মিন্নত আলী বেপারী, সিদ্দিক বকাউল, জসিম উদ্দিন গাজী, গফুর বাদশা, খোকন মৃধা, সফিক প্রধান, নবী বকাউল’সহ এলাকার হাজারো নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।


এই বিভাগের আরও খবর