শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

ফরিদগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষককে পেটালেন অভিভাবক, থানায় অভিযোগ

reporter / ২৯৫ ভিউ
আপডেট : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩

ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাদ্রাসায় ঢুকে এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।  মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে উপজেলার বোয়ালিয়া নুরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায়  বিচার প্রার্থনা করে কাজী জসিমকে ১নং বিবাদী করে ২ জনের বিরুদ্ধে  থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ । এ বিষয়ে বিক্ষুব্ধ স্হানীয়রা দোষীদের  দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।
থানায় লিখিত অভিযোগ ও মাদ্রাসা কতৃপক্ষ সুত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় সকালে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন ওই মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক আলী আজগর। এসময় হঠাৎ করে অভিযুক্ত কাজী জসিম উদ্দিন ও কাজী আল আমিন বিনা অনুমতিতে মাদ্রাসার ক্লাস চলাকালীন সময় রুমে ঢুকে শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষককে মারধর করে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ ও ভাংচুর করার হুমকি প্রদান করেন। এতে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা যায়, জসিম উদ্দিন ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক। মাদ্রাসার নিয়ম শৃঙ্খলা না মেনে তার ছেলে ছুটি কাটিয়েছে। এতে শিক্ষার্থীকে হুজুর শাষন করার কারনে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষককে মারধর করেন। মারধরের স্বীকার  শিক্ষক আলী আজগর জানান, আমি শ্রেনীর ক্লাস নিচ্ছি। ক্লাস চলাকালীন সময় হঠাৎ অভিযুক্তরা ক্লাসে এসে অতর্কীতভাবে আমাকে মারধর করা শুরু করেছে। তাদের সাথে আমার পূর্বের কোনো বিরোধ ছিলনা।
অভিযোগের বাদী মাদ্রাসার কোষাধ্যক্ষ মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান, হুজুর দীর্ঘদিন সুনামের সহিত বোয়ালিয়া নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় চাকুরী করে আসছে। কেন হুজুর সন্ত্রাসীদের মারধরের শিকার হলেন আমরা এর সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিচার চাই। বর্তমানে এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অপর দিকে অভিযুক্ত কাজী জসিম উদ্দিন বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমি ওই মাদ্রাসার অভিভাবক, আমার ছেলে ঢাকাতে গিয়েছিলো, আসারপর মাদ্রাসায় গেলে শিক্ষক আমার ছেলেকে মেরেছে, তাই আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মেরেছি। ছুটির জন্য আবেদন করেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন কোনো বিষয় আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবদুল মান্নান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে  আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এই বিভাগের আরও খবর