শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

চাঁদপুরে গণহত্যা দিবসে আলোচনা সভা

reporter / ৩১৭ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩

২৫ মার্চের ইতিহাস জানতে হলে তার গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে হবে 
——- জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫)দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক  কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ।
তিনি বলেন, পাক হানাদার বাহিনী ওই সময়ে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে নির্যাতিত করেছে। ২৫ মার্চের কালরাত্রে আমাদেরকে সর্বশেষ পেরেকটি ডুকিয়েছিলো। আজকের আলোচনা সভার কারণ হচ্ছে বর্তমান প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানানো। সঠিক ইতিহাস জানতে আমাদের খুব কষ্ট হয়েছিলো। ২৫ মার্চের ঘটনার ইতিহাসও জানতে আমাদের প্রায় অনেক বছর লেগেছে। ২৫ মার্চের ইতিহাস জানতে হলে তার গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে হবে। ২০১৮ সালের গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। তবে এখনও আমরা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাইনি। আশাকরি অল্পসময়ের মধ্যে আমরা সেই স্বীকৃতি পেয়ে যাব।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ বলেন, মার্চ মাসের প্রতিদিনের ঘটনা বলতে গেলে অনেক সময় লাগবে। কারণ মার্চের প্রতিটি দিনই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাঙ্গালিকে চিরতরে ধ্বংস করে দেয়ার জন্যেই ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে এ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল পাক বাহিনী। তাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের শুধু মাটি থাকবে কোন মানুষ থাকবে না। ঢাকার কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গাকে লক্ষ্য করে তারা তাদের টার্গেট সাজিয়ে ছিলো। ৩৭ টি গাড়ী নিয়ে প্রথম বহর বেরিয়ে ছিলো ঢাকার উপর আক্রমন করার জন্যে। পরে আরো গাড়ীর জড়ো হয়ে আক্রমন করে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায়। প্রথম আক্রমন হয় রাজারবাগ পুলিশ লাইনে। পাক সেনাবাহিনী বিরুদ্ধে প্রথম আক্রমন হয়েছিলো চামেলিবাগে। সেখানে রাজারবাগ পুলিশেরা থ্রি নট থ্রি রাইফেল দিয়ে সেসময়ের পাক সেনাবাহিনীর উপর গুলি চালায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার, এনএসআই এর উপ-পরিচালক শাহ আরমান আহমেদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সহকারি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলী মাষ্টার প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন কালেক্টরেট জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোশাররফ হোসাইন ও গীতা পাঠ করেন বিশ্বজিৎ দাস।


এই বিভাগের আরও খবর