শিরোনাম:
পচা দুর্গন্ধে ৯৯৯-এ ফোন, ফরিদগঞ্জে তরুণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মতলব প্রেসক্লাবের সদস্য সোবহান ফারুক বেঁচে নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক ‎মতলব উত্তরে দুর্বৃত্তদের আগুনে দোকান পুড়ে ছাই হত্যা করে মাকে কলাবাগানে ফেলে রাখে ছেলে, ৮ দিন পর গ্রেপ্তার শাহমাহমুদপুরের সাবেক চেয়ারম্যান  অ্যাড: তাহের হোসেন রুশদী’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজকে জাতীয়করণের জোরালো দাবি চাঁদপুরে ‘সচেতনতা ও সুরক্ষা ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই

মতলব উত্তরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে

reporter / ৩২৫ ভিউ
আপডেট : শনিবার, ২২ জুলাই, ২০২৩

মতলব উত্তর প্রতিনিধিঃ
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০ জন করে নতুন রোগী আসছে চিকিৎসা নিতে। শুক্রবার সকালে ৬জন ভর্তি নিয়ে চিকিৎসারত ছিলেন। রাতে আরো একজন ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও সারাদিন ১০জন জ্বর নিয়ে চিকিৎসা দিতে হাসপাতালে এসেে বলে জানান জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক সোনিয়া।
ফলে হাসপাতালের নিয়মিত রোগীর পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
গত কয়েক মাস ধরেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে জানিয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. হাসিবুল ইসলাম বলেন, তবে জুলাই মাসে এর প্রকোপ আরও বেড়েছে। এই মাসে এখন পর্যন্ত ৩০ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন ৮জন।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নুরজাহান বলেন, প্রথমে আমার জ্বর হয়। আমার চোখ লাল হয়ে যায়। জ্বর না কমায় হাসপাতালে এসে পরীক্ষা করাই। এরপর ডেঙ্গু ধরা পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি দেন চিকিৎসক।
কবির হোসেন (২৫) নামের চিকিৎসাধীন আরেক রোগী জানান, তিনি গত দুই দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে তার অবস্থার উন্নতি হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. হাসিবুল ইসলাম জানান, জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু রোগী বাড়ে। তবে এ বছর রোগীর সংখ্যা আগের তুলনায় বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগে থেকেই আশঙ্কা করেছে এবং আমাদের এ বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। সেই আলোকে আমরা পুরুষ  এবং নারী রোগীর জন্য বেড প্রস্তুত রেখেছি এবং চিকিৎসা দিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। রোগীর চাপও আছে। আশার কথা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত চাঁদপুরে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। তবে বর্ষা যতদিন থাকবে, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়বে। আমরা এর জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছি।
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, ডেঙ্গু রোগী দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এই হাসপাতালে পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আলাদা করে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য হেল্প ডেস্ক খোলা হয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর