শিরোনাম:
শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান দেশসেরা কর্মচারী এখন হাজীগঞ্জের গর্ব

চাঁদপুর- ঢাকা লন্ঞ্চ চলাচল বন্ধ 

reporter / ২৬৫ ভিউ
আপডেট : সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

হঠাৎ নৌযান শ্রমিক ধর্মঘট, দুর্ভোগে লঞ্চ যাত্রীরা
বিশেষ প্রতিনিধিঃ নৌযান শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরী ২০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ ১০ দফা দাবীতে হঠাৎ দেয়া ধর্মঘটে দুর্ভোগে পড়েছেন চাঁদপুরের লঞ্চ যাত্রীরা। স্থানীয়ভাবে কোন ধরণের পূর্ব ঘোষণা না দেয়া কিংবা সংগঠনের পক্ষ থেকে মাইকিং না করায় যাত্রীরা ঘাটে এসে চরম দুভোগে পড়েছে।
রোববার (২৭ নভেম্বর) সকাল থেকে চাঁদপুর-ঢাকাসহ সব রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন চাঁদপুরের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, শনিবার (২৬ নভেম্বর) দিনগত রাত ১২টার পর পর্যন্ত চাঁদপুর থেকে সিডিউলের সবগুলো লঞ্চ ছেড়ে গেছে। সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। লঞ্চ মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। তাদের মধ্যে সুরাহা হলে আবার লঞ্চ চলাচল শুরু করবে।
বেলা দেড়টার দিকে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে গিয়ে কোন লঞ্চ পাওয়া যায়নি। পুরো লঞ্চঘাট পাকা। যাত্রীবহনকারী কিছু অটোরিকশা ঘাটে অবস্থান করতে দেখা যায়। যেসব যাত্রী শ্রকিক ধর্মঘটের বিষয়ে জানেন না, তারা এসে ঘাটে উপস্থিত হচ্ছেন।
লঞ্চ শ্রমিক আলমগীর হোসেন জানান, আমাদের যে দাবিদাওয়ার ছিল, ২০২২ সাল চলে যাচ্ছে কিন্তু মালিকপক্ষ ও শ্রম মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমাদের বেতন বৃদ্ধিসহ ১০ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে।
ফরিদগঞ্জ থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে আসা যাত্রী ফিরোজা বেগম জানান, লঞ্চ ধর্মঘটের বিষয়ে জানি না। যে কারণে বাড়ী থেকে ৩০০ টাকা অটোরিকশা ভাড়া দিয়ে এসেছি। সড়ক পথে এখন সন্তানদের নিয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়।
শহরের ট্রাক রোড এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম তার ছেলেকে নিয়ে যাবেন ঢাকা। দুপুরের লঞ্চে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘাটে এসে দেখেন কোন লঞ্চঘাটে নেই। অপেক্ষা করে চলে যান। তিনি বলেন- শহরে থেকেও লঞ্চ ধর্মঘটের কথা জানতে পারিনি।
সদরের ইচলী থেকে আসা যাত্রী ইব্রাহীম ও রিয়াজ উদ্দিন জানান, বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বার বার লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধি করেছে, তার দায়ভারও যাত্রীদের নিতে হয়েছে। এখন লঞ্চ শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে বিরোধ চলছে। তার দায়ভার কি আমাদের নিতে হবে! আমরা দূর-দূরান্ত থেকে লঞ্চঘাটে এসেছি, এসে দেখি লঞ্চ চলাচল বন্ধ। আমরা যে দুর্ভোগে পড়েছি তার দায়ভার নিবে কে? আশা করি সরকারের হস্তক্ষেপে মালিক তাদের দাবি দাওয়া পুরন করে দ্রুত লঞ্চ চলাচল শুরু করবে।


এই বিভাগের আরও খবর