মোঃ জাহিদুল ইসলাম ফাহিম :
ফরিদগঞ্জে পুলিশ রিমন হোসেন (১৯) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত থাকাবস্থায় অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার করেছে। রোববার (৫ জুলাই ২০২৬) উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চরমুঘুয়া গ্রামে ঘটে। নিহত রিমন চরমুঘুয়া গ্রামের নুর পাটওয়ারী বাড়ির মরহুম আবুল কাশেমের ছেলে।
ইমনের মা ফতেমা বেগম জানান, প্রায় তিন বছর পূর্বে তার স্বামী আবুল কাশেম মারা যান। বড় ছেলে ইমন দুবাই প্রবাসী। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে রিমন বখাটেদের সাথে মিশে গভীর রাতে বাড়ি ফিরতো। এ নিয়ে তাকে শাসন করলে আমাকে উল্টো গালমন্দ ও শারিরিক নির্যাতন করতোসে। একপর্যায়ে প্রায় দেড় বছর পূর্বে আমার মা ও ভাই মিলে আমাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়। আমি দ্বিতীয় বিয়ের পরও রিমনের খোঁজ খবর রাখতাম। সর্বশেষ বৃহষ্পতিবার (২ জুুলাই ২০২৬) রাতে এক প্রতিবেশির কাছে ফোন দিয়ে রিমনের খোঁজ নিয়েছি। তখন সেই প্রতিবেশী জানান রিমন স্থানীয় বাজারে গিয়েছে। তারপর আর রিমনের খবর পাইনি। রোববার (৫ জুলাই ২০২৬) সকালে ওই বাড়ি থেকে আমাকে ফোন দিয়ে জানানো হয়, রিমন ঘরের ভিতরে আড়ার সাথে অর্ধ গলিত মরদেহ ফাঁস দেয়াবস্থায় ঝুলে রয়েছে।
রিমানের চাচা এমরান হোসেন লিটন জানান, রিমনের মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর রিমন একাই বাড়িতে থাকতো। রোববার সকালে আশপাশের লোকজন জানায় রিমনের ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। একপর্যায়ে স্থানীয়দের নিয়ে বসত ঘরের জানালা খুলে রিমনের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই। পরে ৯৯৯ ফোন দিলে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
এব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ্ জানান, রিমন নামে এক তরুণের গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়েছে।