শিরোনাম:
হবিগঞ্জে ৪১৩তম রোভার স্কাউট ইউনিট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন শাহরাস্তিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ১৫ ভরণ-পোষণের দাবিতে ইউপি কার্যালয়ে আফিয়া, স্বজনের ওপর হামলার অভিযোগ লঞ্চে অতিরিক্ত ভাড়া, নিম্নমানের খাবার ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন আইন ভাঙলেই ছাড় নয়: জুলাইয়ে চাঁদপুরে ট্রাফিক পুলিশের ১,২৮৫ মামলা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা অঞ্জনা খান মজলিশ: পারিবারিক রাজনীতির বলির পাঁঠা, তবুও নীতিতে দৃঢ় মতলব উত্তরে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাঁদপুরে স্কাউটস অ্যাওয়ার্ড পোর্টাল ওয়ার্কশপ ফরিদগঞ্জে চুরির আতঙ্ক: এক সপ্তাহে ২০টির বেশি ঘটনা, নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন চাঁদপুর ডিবির জালে বাঘ শাহজাহান

মরিচ বাছাই করে জীবিকা নির্বাহ করছে পুরানবাজারের অর্ধ শতাধিক নারী

reporter / ৪৫৩ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুর শহরের পুরানবাজার শুকনো মরিচ বাছাই করে অর্ধ শতাধিক নারীদের জীবিকা অর্জন চলছে। সরজমিন দেখা  যায়, প্রতিবছরের মত এবছর ও পুরান বাজার এর ব্যবসায়ী রশিদ বেপারির আমদানিকৃত হাজার হাজার শুকনো মরিচ প্রাণ কোম্পানিতে রপ্তানি  করে। এতে করে  পুরানবাজারের  অসহায় কর্মহীন নারী পুরুষের কর্মের ঠিকানা হয়। যদিও বছরে দু’এক মাস মরিচ বাছাই কাজ হয় তারপরেও অর্ধ শতাধিক নারীদের কাজের ঠিকানা হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত নারিরা ১নং খেয়া ঘাটের নদীর পারে শুকনো মরিচ ছিটিয়ে রৌদ্রে শুকিয়ে ১ নাম্বার মরিচ গুলি বাছাই করে দিনমজুর হিসেবে জনপ্রতি ৩শ টাকা  নারীরা মজুরি পান। তবে তারা মাত্র দুই মাসের কর্মের ঠিকানা খুজে পেয়ে কিছুটা লাভবান হন। তারা বলেন, ১২ মাস প্রাণ কোম্পানিতে মালিক রশিদ সাহেব মরিচ রপ্তানি  করলে আমরা সব সময় কাজ করে সন্তান আর মা বাবা কে নিয়ে খেতে পারতাম।
এদিকে নারিদের সাথে আরো ১৫—২০ জন পুরুষ  রয়েছে যারা শুকনো মরিচ গুলি বস্তায় ভরে পাল্লায় উঠিয়ে ওজন করে টেক দেয়, সকাল থেকে বিকাল অবধি তারা ৬—৭ শ টাকা হাজিরা পান, আবার সন্ধার পর থেকে রাত ৯—১০ টা পর্যন্ত  প্রাণ কোম্পানির কারখানায় পাঠাতে ট্রাকে লোড করেও ৫—৬ টাকা মাথা পিছু  আয় করেন, এতে করে শ্রমজীবী  মানুষের  মেহনতি পরিশ্রমে তারা অর্থ উপার্জন করেন। শ্রমিকরা আরো বলেন, প্রতি বছর ফাল্গুন ও চৈত্র  মাসে এই মরিচের কাজ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ হয়। এরপরে তারা বাজারের বিভিন্ন গদি ঘরে লেবারের কাজ করে টাকা উপার্জন  করে, তারা মনে করেন ১২ মাস এই মরিচের কাজ হলে তারা ভালো ভাবে খেয়ে বাচত। কিন্তু মৌসুমি সবজির মরিচ উৎপাদনের সময় বছরের ফাল্গুন চৈত্র মাস বলে দুই এক মাস কাজ করে জীবিকা নিরবহ করে, তার পরেও নারি ও পুরুষ  শ্রমিকরা ভালো মজুরি পেয়ে খুশি।
এদিকে মালিক আব্দূুর রশিদ বেপারি বলেন, আমি প্রাণ কোম্পানির ডিলার হিসেবে কাজ করি, শুধু মরিচের মৌসুমে মরিচ রপ্তানি করি, তবে, আমি জেলার আশপাশের জেলা থেকে শুকনো মরিচ আমদানি  করে তাহা বাছাই করে শুকিয়ে  প্রাণ কোম্পানিতে পাঠিয়ে থাকি, তার বিনিময়ে, কেজি প্রতি যা পাই তাহা দিয়ে শ্রমিকদের মজুরি আসে। মরিচ রপ্তানি  করে তেমন লাভবান হইনা, তারপরেও ব্যাবসা ধরে রাখতে বিগত কয়েক বছর করে আসছি। আমি মনে করি সততার ব্যবসা করে ডাল ভাত খেয়েও খুশি হওয়া যায়। আমার কারনে কয়েকজন মানুষের কর্ম হয়। এটাই আমার বড় পাওয়া।


এই বিভাগের আরও খবর