শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই মতলবে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক বহিষ্কার মতলবে খামার শ্রমিক হত্যার রহস্য উন্মোচন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অপরাধে ফরিদগঞ্জে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ফরিদগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন চরকুমিরা গ্রামবাসীর উদ্যোগে দুই শতাব্দীর ঐতিহ্যে খতমে শেফা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে গুপ্টিতে কবরস্থানের গাছ কাটা নিয়ে বিরোধ মারধরে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে ওব্যাট মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার বিতরণ

কচুয়ায় জলাবদ্ধতার কবলে ২ হাজার একর ফসলি জমি

reporter / ৩৩৬ ভিউ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২

কচুয়া প্রতিনিধিঃ
কচুয়া উপজেলার ঘুরগার বিলের মাঝ দিয়ে সাচার হতে চান্দিনা উপজেলার কংগাই পর্যন্ত ক্ষিরাই নদীর (ছোট নদী) পাড় দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। অপরদিকে বিলের কচুয়া অংশে প্রায় মাঝামাঝি অবস্থানে ওই ক্ষিরাই নদীর সাথে সংযোগ ছিলো রাগদৈল খাল। এই সংযোগস্থলের মুখে মাটি দ্বারা ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করায় এখন আর রাগদৈল খাল দিয়ে ঘুরগার জলার উত্তর-পশ্চিম অংশের পানি ক্ষিরাই নদীতে প্রবেশ করতে পারছে না। এতে করে ঘুরগার জলার উত্তর-পশ্চিম অংশে প্রায় ২ হাজার একর ফসলি জমি জলাবদ্ধতার কবলে। জলাবদ্ধতার কবলে পড়া অংশে চলতি রবি মৌসুমে আলু, সরিষা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, ভুট্টা ইত্যাদি ফসলের আবাদ করা সম্ভব হয়ে উঠবে না বলে কৃষকরা জানান।
কৃষক ও স্থানীয় লোকজনরা জানায়, প্রায় ২ হাজার একর জমি থেকে পানি না নামায় ওই এলাকার কৃষকরা চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ইতোমধ্যে রবি মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আলু চাষ শুরু হবে। কিন্তু ঘুরগার বিলের রাস্তার অপর অংশের জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি নামতে পারছে না।
স্থানীয় কৃষক দুলাল মিয়া, আলমগীর দুদু মিয়া, শহীদ, বজলুর জানান, ক্ষিরাই নদীর সাথে সংযুক্ত রাগদৈল খালের মুখে রাস্তা করার দরুণ পানি সরতে না পারায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলি জমিগুলো অনাবাদী হয়ে পড়ে আছে। এ অবস্থায় রাগদৈল খালের মুখে একটি ব্রিজ নির্মাণ করলে রাগদৈল খালের ঐতিহ্য ফিরে পাবে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতার হাত থেকে ২ হাজার একর ফসলি জমি আবাদ করা যাবে।
জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার সংবাদ পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোফায়েল হোসেন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি জলাবদ্ধতার কারণে চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন করতে পারলে স্থানীয় কৃষকরা প্রায় ২ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ করতে সক্ষম হবে। আমি বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। শীঘ্রই এই সমস্যাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হাসান বলেন, জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধান করে জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।


এই বিভাগের আরও খবর