শিরোনাম:
পচা দুর্গন্ধে ৯৯৯-এ ফোন, ফরিদগঞ্জে তরুণের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার মতলব প্রেসক্লাবের সদস্য সোবহান ফারুক বেঁচে নেই, বিভিন্ন সংগঠনের শোক ‎মতলব উত্তরে দুর্বৃত্তদের আগুনে দোকান পুড়ে ছাই হত্যা করে মাকে কলাবাগানে ফেলে রাখে ছেলে, ৮ দিন পর গ্রেপ্তার শাহমাহমুদপুরের সাবেক চেয়ারম্যান  অ্যাড: তাহের হোসেন রুশদী’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে নিশ্চিন্তপুর ডিগ্রি কলেজকে জাতীয়করণের জোরালো দাবি চাঁদপুরে ‘সচেতনতা ও সুরক্ষা ইভেন্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জে এতিম ভাতিজী’র সম্পত্তি আত্মসাৎ করার অভিযোগ আপন জেঠার বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে তালাক দিতে সাজানো মামলা শ্বশুরের! ফরিদগঞ্জে ভয়াবহ অ**গ্নী***কাণ্ডে ১১টি পরিবারের বসতঘর পু**ড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত জনজীবন

reporter / ২৮৫ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৩

মোঃ আল আমিন হোসেনঃ
হাড়কাঁপানো কনকনে শীতের তীব্রতার সমগ্রদেশের ন্যায় কাঁপছে  ফরিদগঞ্জ বাসী। রোববার (৮ জানুয়ারী) অব্যাহত শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি ঘন কুয়াশার কারণে এলাকা বাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।
এছাড়াও গতকিছু দিনের অসহনীয় শীতের দাপটে চিকিৎসাকেন্দ্র গুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। এসব রোগীর মধ্যে বয়স্ক ও শিশু রোগীর সংখ্যা’ই বেশি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে।
তবে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। প্রায় সারাদিন’ই ঘন কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহের ফলে খেটে খাওয়া মানুষ চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে। নদীর তীরবর্তী চাঁদপুরের চরাঞ্চলের মানুষ তীব্র শীত আর কর্মবিহীন অবস্থায় কষ্টকর জীবন যাপন করছে।
এদিকে ফরিদগঞ্জ বাস টার্মিনাল, ফুটপাতসহ বিভিন্ন যায়গায় রাত কাটানো ভবঘুরে মানুষগুলোকে জবুথবু হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের কেউ কেউ খড়কুটোয় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
শীতের ‘জাঁতাকলে’ পিষ্ট এসব অসহায় মানুষ এখন তাকিয়ে আছে একটি গরম কাপড় অথবা কম্বলের দিকে। প্রতিদিন তারা আসায় বুক বেঁধে থাকছে এই বুঝি কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কিংবা জনপ্রনিধি একটি গড়ম কাপড় এগিয়ে দিবে।
সজীব নামক ফরিদগঞ্জ বাজারের এক রিক্সা ড্রাইভার জানান, ঠাণ্ডার কারণে মানুষজন ঘর থেকে বের না হওয়ায় যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে। ফলে যাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়া পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই বিপাকে আছি।
ফরিদগঞ্জ বাজারে ভবঘুরে বৃদ্ধা আলেয়া জানায়, শীত এলে আমাদের কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। গত বছর শিতে ৩টা কম্বল পেলেও এবছর একটাও পাইনি।
এদিকে শীতের এই তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বেকায়দায় পড়েছে গ্রামাঞ্চলের কৃষী ও নদীতে কাজ করা মানুষ। দিন এনে দিন খাওয়া গ্রামের এসব মানুষ বেশি দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
এদিকে সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আঞ্চলিক মহা-সড়কেও যান চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত কয়েকদিনের উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের কারণে মেঘ কেটে গেছে। ফলে দেশের অভ্যন্তরে শৈত্যপ্রবাহ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় হঠাৎ করে শীত বেড়ে গেছে।
এই অবস্থা আরও কয়েকদিন থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর