শিরোনাম:
শাহরাস্তির কাদরায় ৬ ছেলের ঘরে ঠাঁই হলো না ৮৫ বছরের বৃদ্ধ মায়ের মতলব উত্তরে যুবলীগ নেতা ও এনজিও কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার, আটক ৮ কিশোর মতলবে কলেজ শিক্ষকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আটক মতলব উত্তরে পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদক ও পরোয়ানার ৭ আসামি গ্রেপ্তার দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিএনপি নেতা তানভীর হুদা প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ নেতার আন্তরিক সহযোগিতায় দেশে আসলো সৌদি প্রবাসীর মৃতদেহ ইসলামাবাদে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি স্মরণে মিনিবার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত চাঁদপুর পৌরসভায় বেওয়ারিশ কুকুরের জলাতঙ্ক রোগের ভেক্সিন প্রদান সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত চাঁদপুরে সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালিত মতলব উত্তর থানায় বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ আটক ৪, পরোয়ানাভুক্তসহ গ্রেপ্তার ৮

বজ্রপাত নিরোধক ও পরিবেশবান্ধব সারি সারি তালগাছের নয়নাভিরাম মতলবের রাঢ়ীকান্দি

reporter / ৪৭১ ভিউ
আপডেট : মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার :
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী তালগাছের গুরুত্ব ও সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে লিখেছেন তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে-সব গাছ ছারিয়ে উঁকি মারে আকাশে-খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন ‘কানা বগীর ছা’ কবিতায় লিখেছেন, ‘ঐ দেখা যায় তাল গাছ, ঐ আমাদের গাঁ। ঐখানেতে বাস করে কানাবগির ছা।
আকাশ ছুঁই ছুঁই সারি সারি তালগাছের নয়নাভিরাম দৃশ্য এখন আর খুব একটা চোখে পড়ে না। কালের বিবর্তনে অনেকটাই বিলুপ্তির পথে তালগাছ। একসময় গ্রাম-বাংলার শোভা বৃদ্ধিতে এ প্রজাতির গাছের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তখন গ্রামগঞ্জের রাস্তাঘাট, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা, নদ-নদীর পাড়সহ প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় সারি সারি তালগাছ দেখা যেত। বিশেষ করে, মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন গ্রাম ও স্থাপনা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে তালগাছের বিশেষ ভূমিকা ছিল। তবে হতাশার কথা হলো, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রক্ষায় নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তালগাছ রক্ষায় কোনো উদ্যোগ নেই। এ কারণে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী পরিবেশবান্ধব এ প্রজাতির গাছ ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
এখন গ্রামগঞ্জের আঁকা-বাঁকা পথে সারা দিন ঘুরে বেড়ালে তালগাছের দেখা পাওয়া দুষ্কর। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় উপকারী বন্ধু তালগাছের বদলে নামিদামী কাঠগাছ জায়গা দখল করে নিয়েছে। তবে মতলব উত্তর উপজেলা রাঢ়ীকান্দি ব্যতিক্রমী চিত্র দেখা গেছে। এ গ্রামে এখনো শত শত তালগাছ সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
সরেজমিনে তালগাছের গ্রাম হিসেবে পরিচিত মতলবের রাঢ়ী কান্দি ট্রেক্সার থেকে শুরু করে গ্রামের আনাচে কানাচে ও গ্রামীণ সড়কের দুই ধারে সারি সারি তালগাছ উঁকি মারছে আকাশে।এমনকি অনেক বাড়ির আঙ্গিনা বা পুকুরপাড়েও তালগাছে ঘেরা মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখা গেছে।
গ্রামের বাসিন্দা মজনু প্রধান বলেন, ১১ নং পশ্চিম ফতেহপুর ইউনিয়নের মধ্যে আমাদের গ্রামটি আয়তনে বড়। গ্রামের কাঁচা সড়ক কিংবা মাঠঘাটে সারি সারি তালগাছ রয়েছে। এ নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি। তালগাছগুলো গ্রামের নান্দনিকতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করেছে। অনেক আগে থেকেই এ গ্রামের বাসিন্দারা তালগাছ রোপণে আগ্রহী। বর্তমান প্রজন্মও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে।
গ্রামের বাসিন্দা মো.মোজাফফর প্রধান জানান, বজ্রপাতসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় তালগাছ বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এ সময় তিনি পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন গাছ রোপণের পাশাপাশি দেশবাসীকে তালগাছ রোপণে আহ্বান জানান।


এই বিভাগের আরও খবর