শিরোনাম:
ফরিদগঞ্জে কুকুরের কামড়ে আহত ২০ কচুয়ায় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার মেঘনায় কার্গোর ধাক্কায় তলা ফেটেছে সুন্দরবন -১৬ লঞ্চের, নারী নিখোঁজ ষোলঘর আদর্শ উবি’র ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাডঃ হুমায়ূন কবির সুমন কচুয়ায় নবযোগদানকৃত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে শিক্ষক সমিতি শুভেচ্ছা মতলব উত্তরে লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছে কারিগররা উপাদী উত্তর ইউনিয়নে দীপু চৌধুরীর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া পশ্চিম সকদী ডিবি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহন মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে এক যুবক ফরিদগঞ্জের ঘনিয়া দরবার শরীফের পীরের সঙ্গে ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভুঁইয়ার সাক্ষাৎ

নিরব ঘাতক রাসয়নিক মিশ্রিত ড্রাগন ফলে ভরপুর ফরিদগঞ্জ বাজার

reporter / ২০৬ ভিউ
আপডেট : সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩

মোঃ জাহিদুল ইসলাম ফাহিম : রবিবার (৩ ডিসেম্বর) ফরিদগঞ্জ বাজারে ড্রাগন ফল কিনতে আসা এক স্কুল শিক্ষকের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের, এই ফলের বিষয়ে জিঞ্জেস করতে তিনি বলেন, ফলের মধ্যে বাসায় বাচ্চারা ড্রাগন খেতে পছন্দ করে। তাই ভিন্ন সময়ে ফল কিনতে আসলে অন্যান্য ফলের তুলনায়া ড্রাগন ফলই কেনা হয়

এমন এক ফল খেলে মানবদেহের ডিএনএ পরিবর্তনসহ হতে পারে ক্যান্সারের মতো ভয়াবহ রোগ অথচ না জেনেই আমরা এমন ফল খাচ্ছি অহরহ। চোখ কপালের তোলার মত বিস্ময়কর তথ্য হলো বর্তমানে সময়ে আমাদের অনেকের কাছে প্রিয় ফল ড্রাগনই সেই ফল, তবে সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা ২০০ থেকে ২৫০ গ্রামের টুকটুকে লাল রঙ্গের ড্রাগন ফল নয়, বরং সাম্প্রতি সময়ে বাজারে কিনতে পাওয়া ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পরিমাপের ফলের গায়ের আংশিক লাল এবং হলদে-সবুজ বর্ণের ড্রাগন ফল।

চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ফরিদগঞ্জ বাজারসহ রূপসা, গৃদকালিন্দিয়া, চান্দ্রা বাজার এমনকি উপজেলার প্রায় সব বাজারগুলোতেই ফলের দোকানগুলোতে চোখে পড়ছে বড় সাইজের এসব ড্রাগন ফল। যা কিনা নীরব ঘাতক হিসেবে ক্ষতি করছে আমার আপনার এবং কোমলমতি শিশুর শরীরে।

কথা হয় কয়েকজন ফল ব্যবসায়ীদের সাথে ফলে যে ক্ষতিকারক উপাদান মিশ্রণ এবং ফলের আকারে বড় হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, আমরা আড়ৎ থেকে ফল কিনে এনে বিক্রি করি, এগুলো কিভাবে এত বড় হয় কিংবা কিভাবে এগুলোর চাষ করা হয় তা জানা নেই। তবে আগে ছোট আকৃতির লাল বর্ণের ড্রাগন আসতো এখন বড় আকৃতির ড্রাগনগুলো আসে।

কৃষি বিশ্লেষক ও গবেষকদের মতে, সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করা একটি পরিপক্ব ড্রাগন দুইশ গ্রাম থেকে আড়াইশ গ্রাম এবং লাল বর্ণের হয়। অধিক লাভের আসায় কিছু অসাধু চাষী অধিক লাভবান হওয়ার জন্য ড্রাগন ফলের ফুল আসা থেকে শুরু করে পরিপক্ক হওয়া পর্যন্ত তিনবার ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ টনিক স্পে করে, যেকারনে একেকটি ড্রাগনের ওজন আট’শ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্লোল কিশোর সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার কাছ থেকে আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি, খুব সহসায় আমি বিষয়টি দেখবো এবং আমার উধ্বর্তন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


এই বিভাগের আরও খবর