ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবা থেকে কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে নিজেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে মানুষের পাশে দাড়াঁনোর প্রত্যাশা করেছেন এক সাধারণ নাগরিক। তিনি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের বাসিন্দা কাজী ইকবাল হোসেন পিন্টু।
জানা যায়, পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক হিসেবে সেবা গ্রহণ করতে গিয়ে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতির কারনে হয়রানীর শিকার হয়েছেন তিনি। পরপর ৩ দিন ওই ইউনিয়নে সেবা গ্রহণ করতে গিয়ে জানতে পারেন সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান থাকেন জেলা শহরে এবং চাকুরী করেন দুরের এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ফলে ঠিকমত উপস্থিত থাকতে পারেন না পরিষদে। চেয়ারম্যানের এই কর্ম ব্যস্ততায় সেবা বঞ্চিত হয়েছেন ওই মানুষটিসহ স্থানীয় নাগরিকরা। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শুধু প্রার্থী পিন্টু করেন নি। করেছেন ওই ইউনিনের সেবা বঞ্চিত হাজারো নাগরিক।
তরুণ সমাজসেবক কাজী ইকবাল হোসেন পিন্টু সাধারণ মানুষের এই দূবস্থা দেখে খোদ নিজেই এবার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে মোটর সাইকেল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আসছে ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। ভোটারদের উৎসাহ উদ্দীপনা, নিজের মেধা ও ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে মোটর সাইকেল প্রতীক পেয়ে নির্বাচনের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন কাজী ইকবাল হোসেন পিন্টু। তার পক্ষে নির্বাচনী এলাকায় চলছে গণসংযোগ,পাড়া-মহল্লায়, মানুষের মুখে মুখে ইতোমধ্যে হেভিওয়েট প্রার্থীর তালিকায় উঠে এসেছে কাজী ইকবাল হোসেন পিন্টুর নাম।
ওই ইউনিয়নের নবীণ-প্রবীণ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কথা বলে সত্যতাও মিলে কাজী ইকবাল হোসেন পিন্টু এমন মন্তব্যের। অনেক ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সেবা বঞ্চিত পিন্টুকে ভোট দেবেন।
প্রতিদিনের ন্যায় গণসংযোগকালে সোমবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের বালিচাটিয়া গ্রামে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন চেয়ারম্যান পদে মোটর সাইকেল প্রতীকের এই প্রার্থী কাজী ইকবাল হোসেন পিন্টু। এসময় তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ কোনো চেয়ারম্যানের নিজের সম্পদ নয়, এটি জনগণের সম্পদ। বিগত দিনের চেয়ারম্যানরা নির্বাচিত হওয়ারপর কেউ চাঁদপুর, আবার কেউ অন্যস্থানে বিভিন্ন চাকুরী করতেন। তাই আমরা সেবা বঞ্চিত হয়েছি। আমি ব্যক্তিগত কাজে কয়েকবার ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েও চেয়ারম্যানকে পাইনি। আপনারা পত্র পত্রিকার মাধ্যমে জেনেছেন এই ইউনিয়নের মানুষের দূর্ভোগের কথা, অনেক সময় ইউনিয়ন পরিষদে তালাও মেরেছে মানুষ। তাই মানুষের সেবা করার নিয়ত করে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। আশাকরি ভোটাররা আমাকে তাদের সেবার জন্য ভোট দিবেন।